সেন্ট মার্টিনে কাঁটাযুক্ত পটকা মাছ কিসের ইঙ্গিত

 



গবেষকেরা বলছেন, এই প্রজাতির পটকা মাছের বৈজ্ঞানিক নাম ডায়োডন হলোকানথাস (Diodon holocanthus)। একে দীর্ঘ-কাঁটাযুক্ত পোর্কুপাইন ফিশও বলে (long-spine porcupinefish)। গায়ের রং হালকা বাদামি। গায়ে ছোট ছোট কালো বিন্দু দেখা যায়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই বিন্দুগুলোর সংখ্যা কমে আসে। পূর্ণবয়স্ক মাছের দৈর্ঘ্য প্রায় ৫০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হতে পারে। বিশ্বজুড়ে উষ্ণমণ্ডলীয় সমুদ্র ও মহাসাগরের উষ্ণ পরিবেশে এদের দেখা যায়। এই প্রজাতির পটকা মাছের এই উপস্থিতির দ্বীপের প্রবালসহ নানা সামুদ্রিক প্রাণীর নির্বিঘ্নে বেড়ে ওঠার লক্ষণ। অর্থাৎ দ্বীপের প্রতিবেশ ও পরিবেশের ক্ষত সেরে উঠছে বলে মনে করছেন গবেষকেরা।

গবেষকেরা বলছেন, এই প্রজাতির পটকা মাছের বৈজ্ঞানিক নাম ডায়োডন হলোকানথাস (Diodon holocanthus)। একে দীর্ঘ কাঁটাযুক্ত পোর্কুপাইন ফিশও বলে (long-spine porcupinefish)। গায়ের রং হালকা বাদামি। গায়ে ছোট ছোট কালো বিন্দু দেখা যায়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই বিন্দুগুলোর সংখ্যা কমে আসে। পূর্ণবয়স্ক মাছের দৈর্ঘ্য প্রায় ৫০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হতে পারে। বিশ্বজুড়ে উষ্ণমণ্ডলীয় সমুদ্র ও মহাসাগরের উষ্ণ পরিবেশে এদের দেখা যায়। এই প্রজাতির পটকা মাছের এই উপস্থিতির দ্বীপের প্রবালসহ নানা সামুদ্রিক প্রাণীর নির্বিঘ্নে বেড়ে ওঠার লক্ষণ। অর্থাৎ দ্বীপের প্রতিবেশ ও পরিবেশের ক্ষত সেরে উঠছে বলে মনে করছেন গবেষকেরা।

সেন্ট মার্টিনের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নাজির হোসেন বলেন, দ্বীপের চতুর্দিকে সাদা প্রজাতির পটকা মাছের দেখা মিললেও কাঁটাযুক্ত সুন্দর পটকা মাছ তেমন চোখে পড়ে না। ছেঁড়াদিয়ায় এই মাছের বিচরণ বাড়ছে। সেখানকার প্রবালপ্রাচীরের ভেতরে এই মাছ বসবাস করে। ছোট ছোট রঙিন মাছ, কাঁকড়া, চিংড়ি ও শামুক-ঝিনুক খেয়ে বাঁচে।

সেন্ট মার্টিন দ্বীপ
সেন্ট মার্টিন দ্বীপ
ছবি : আবুল হাসনাত

সেন্ট মার্টিনে ২৩ বছর ধরে মাছের ব্যবসা করছেন দ্বীপের উত্তরপাড়ার বাসিন্দা জমির হোসেন। তিনি বলেন, সেন্ট মার্টিন সাগরে জেলেদের জালে তিন প্রজাতির পটকা ধরা পড়ে। সাদা জাতের পটকা লম্বায় আড়াই থেকে তিনি ইঞ্চি হয়। আর কালো দাগযুক্ত বড় পটকা লম্বার ১২-২০ ইঞ্চি পর্যন্ত হয়ে থাকে। আবার কালো জাতের পটকাতে সাদা দাগ থাকে। এই জাতের পটকা লম্বায় ৬ থেকে ৮ ইঞ্চি হয়ে থাকে। বিষাক্ত এই পটকা মাছ খেয়ে অনেকের মৃত্যু হয়েছে। এ কারণে মানুষ পটকা মাছ খায় না।

পরিবেশ অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্যমতে, প্রতিবেশ সংকটাপন্ন সেন্ট মার্টিনে প্রবাল, শৈবাল, কাছিম, শামুক, ঝিনুক, সামুদ্রিক মাছ, কাছিম, পাখি, স্তন্যপায়ী প্রাণী, কাঁকড়াসহ ১ হাজার ৭৬ প্রজাতির প্রাণী রয়েছে। দ্বীপে পর্যটকদের যাতায়াতে বিধিনিষেধ, প্লাস্টিকসহ নানা পণ্য ব্যবহার কমানোসহ নানা পদক্ষেপের কারণে দূষণ কমছে। দ্বীপটির প্রকৃতিতে ধীরে ধীরে ভারসাম্য ফিরছে বলে মনে করেন পরিবেশবিদেরা।


Post a Comment

Previous Post Next Post